ই-পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে একটি কাগজের অভাবে ফেরত আসা খুব বিরক্তিকর। তাই নিচের চেকলিস্ট জেনারেটরে আপনার অবস্থা বেছে নিন: কোথা থেকে আবেদন করছেন, নতুন নাকি নবায়ন, বয়স কত, সরকারি চাকরিজীবী কিনা। সাথে সাথে আপনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা তৈরি হবে, যা প্রিন্ট বা PDF করে রাখতে পারবেন।
বয়স অনুযায়ী মূল কাগজপত্র
| বয়স | প্রধান ডকুমেন্ট | অতিরিক্ত |
|---|---|---|
| ৬ বছরের কম | অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (ইংরেজি) | বাবা-মায়ের NID, ধূসর ব্যাকগ্রাউন্ডের 3R সাইজ ছবি |
| ৬–১৭ বছর | অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (ইংরেজি) | বাবা-মায়ের NID |
| ১৮–১৯ বছর | NID, না থাকলে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ | – |
| ২০ বছর বা বেশি | জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বাধ্যতামূলক | – |
অবস্থা অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজ
- নবায়ন: পুরনো পাসপোর্টের মূল কপি ও ডাটা পেজের ফটোকপি।
- হারানো বা চুরি: থানায় করা জিডি (GD) কপি।
- নাম বা বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন: বিবাহ সনদ/নিকাহনামা বা তালাকনামা।
- সরকারি চাকরিজীবী: অফিস থেকে NOC বা GO।
- দ্বৈত নাগরিক: দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ ও বিদেশি পাসপোর্টের কপি।
নতুন নিয়মে অনলাইনে যাচাই করা NID দিয়ে নতুন পাসপোর্টের আবেদন করলে আর পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে না। তবে আবেদনের তথ্য অবশ্যই NID-র সাথে হুবহু মিলতে হবে।
👉 বিস্তারিত পড়ুন: ই-পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে, শিশুর ই-পাসপোর্ট করার নিয়ম ও পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে করণীয়। খরচ জানতে পাসপোর্ট ফি ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
২০ বছরের কম বয়সীরা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে আবেদন করতে পারেন। ২০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য NID বাধ্যতামূলক।
না, ই-পাসপোর্টের আবেদনে কাগজপত্র সত্যায়িত করার প্রয়োজন নেই। তবে মূল কপি সাথে রাখুন।
সব ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক নয়, তবে ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে চাওয়া হতে পারে। তাই একটি সাম্প্রতিক বিলের কপি সাথে রাখা ভালো।
এটি একটি সহায়ক গাইড। পাসপোর্ট অফিস বা দূতাবাস প্রয়োজনে অতিরিক্ত কাগজ চাইতে পারে।