অনেক দেশে ঢোকার সময় পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস বাকি থাকতে হয়। মেয়াদ কম থাকলে ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে, এমনকি এয়ারলাইন বোর্ডিংও দিতে নাও পারে। নিচের ক্যালকুলেটরে পাসপোর্টের মেয়াদ শেষের তারিখ ও ভ্রমণের তারিখ দিন। আপনার পাসপোর্ট ভ্রমণের জন্য ঠিক আছে কিনা এবং কবে নবায়ন শুরু করা উচিত, তা সাথে সাথে দেখে নিন।
৬ মাসের নিয়ম (Six-Month Rule) কী?
৬ মাসের নিয়ম মানে হলো, যে দেশে যাচ্ছেন সেখানে পৌঁছানোর দিন থেকে আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে আরও ৬ মাস থাকতে হবে। মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার অনেক দেশ এই নিয়ম মানে। শেনজেনভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলোতে সাধারণত দেশ ছাড়ার তারিখের পর কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ থাকতে হয়। কিছু দেশে শুধু অবস্থানের পুরো সময় বৈধ থাকলেই হয়।
| নিয়ম | কী মিলিয়ে দেখতে হয় | উদাহরণ |
|---|---|---|
| ৬ মাস | পৌঁছানোর তারিখ + ৬ মাস | ১ জানুয়ারি পৌঁছালে পাসপোর্ট ১ জুলাই পর্যন্ত বৈধ থাকতে হবে |
| ৩ মাস (শেনজেন) | দেশ ছাড়ার তারিখ + ৩ মাস | ১০ মার্চ ফিরলে পাসপোর্ট ১০ জুন পর্যন্ত বৈধ থাকতে হবে |
| অবস্থানকাল | ফেরার দিন পর্যন্ত | ফেরার দিন পর্যন্ত মেয়াদ থাকলেই চলবে |
নিয়ম দেশভেদে আলাদা এবং সময়ের সাথে বদলায়। ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা এয়ারলাইনের তথ্য দেখে নিন।
কখন পাসপোর্ট নবায়ন করবেন?
- মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় ৯ মাস আগে নবায়নের প্রস্তুতি নিন। তাহলে ৬ মাসের নিয়ম কোনো ভ্রমণে বাধা হবে না।
- রেগুলার ডেলিভারিতে বায়োমেট্রিকের পর প্রায় ১৫ কর্মদিবস লাগে। জরুরি হলে এক্সপ্রেস বা সুপার এক্সপ্রেস নিন।
- ভিসার জন্য অনেক দূতাবাস আবেদনের সময়ই পাসপোর্টে নির্দিষ্ট মেয়াদ ও খালি পৃষ্ঠা চায়।
- মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও নবায়ন করা যায়, তবে বিদেশে থাকলে দ্রুত দূতাবাসে যোগাযোগ করুন।
👉 নবায়নে কত খরচ হবে দেখুন পাসপোর্ট ফি ক্যালকুলেটরে। পুরনো এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্টে যাওয়ার নিয়ম জানতে পড়ুন এমআরপি পাসপোর্ট নবায়নের নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
অনেক দেশে যাওয়া যায় না, কারণ তারা কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ চায়। এয়ারলাইনও বোর্ডিং দিতে অস্বীকার করতে পারে। তাই আগেই নবায়ন করুন।
পাসপোর্টের ডাটা পেজে Date of Expiry হিসেবে লেখা থাকে।
ক্যালকুলেটরের নিচের অংশে ইস্যুর তারিখ ও মেয়াদ (৫ বা ১০ বছর) দিন, মেয়াদ শেষের তারিখ নিজে থেকেই বসে যাবে।
হ্যাঁ। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ই-পাসপোর্টের জন্য নবায়নের আবেদন করা যায়।